27 C
ঢাকা, বাংলাদেশ
রাত ১:৪৫ | ২৬শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ বঙ্গাব্দ
গ্রীন পেইজ
প্রাকৃতিক পরিবেশের সংরক্ষণ
পরিবেশ গবেষণা প্রাকৃতিক পরিবেশ

প্রাকৃতিক পরিবেশের সংরক্ষণ ও উন্নয়ন ভাবনা: বর্তমান ও অতীত

প্রাকৃতিক পরিবেশের সংরক্ষণ ও উন্নয়ন ভাবনা: বর্তমান ও অতীত

গত পঞ্চাশ বছর আগেও প্রাকৃতিক পরিবেশের সংরক্ষণ ও উন্নয়ন নিয়ে মানুষ আগে তেমন মাথা ঘামায়নি। প্রাকৃতিক সম্পদ যেমন মাটি, পানি এবং ভূগর্ভস্থ-ভূউপরিস্থ-জলজ জীব ও অন্যান্য সম্পদ মানুষ নির্বিচারে ব্যবহার করে আসছে

যুগ যুগ ধরে, বিশেষ করে ১৭৬০সালের প্রথম শিল্পবিপ্লবের শুরু থেকে। লক্ষ্য—আরো অর্থনৈতিক উন্নতি, আরো সম্পদ আহরণ। প্রযুক্তির উৎকর্ষের ফলে প্রকৃতিকে নিয়ন্ত্রণ এনে প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার ক্রমান্বয়ে বাড়ানো সম্ভব হয়।অবশেষে শুধু ব্যবহার নয়, প্রকৃতিকে ধ্বংসও করা হচ্ছে।

গাছ, জৈববস্তু এবং বিশেষ করে জীবাশ্ম জ্বালানির (পেট্রোল, কেরোসিন) ব্যবহার দ্রুত বৃদ্ধির ফলে গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসারণ বাড়তে থাকে। তা বায়ুমণ্ডলে জমা হয়ে পৃথিবী থেকে সূর্যরশ্মির প্রত্যাবর্তন ব্যাহত করে, যা ক্রমশ ঘনীভূত হয়েছে, হচ্ছে। ফলে পৃথিবীর উষ্ণতাও ক্রমশ বাড়ছে এবং নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ পৃথিবীর সর্বত্র অতীতের চেয়ে অধিক সংখ্যায় এবং অধিক বিধ্বংসীরূপে ঘটছে।



বিগত শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে কোথাও কোথাও এ বিষয়টি আলোচিত হলেও, বস্তুত আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বা দেশীয় পর্যায়ে নীতিনির্ধারণী ক্ষেত্রে, এমনকি গবেষণার ক্ষেত্রে তা গুরুত্ব পায়নি। তবে নির্বিচারে গাছ কাটা, পাহাড় কাটা, প্রাকৃতিক বিভিন্ন সম্পদের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার, পানিতে বর্জ্য ফেলা, নদ-নদী-জলাশয় ধ্বংসকরণ চলতে থাকে পৃথিবীর দেশে দেশে। প্রাকৃতিক পরিবেশ ও প্রতিবেশের ক্রম-অবনমন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে উন্নয়নসংক্রান্ত কোনো আলোচনায় তখনো তেমন গুরুত্ব পায়নি।

বিশ্বচেতনায় প্রাকৃতিক পরিবেশ ও প্রতিবেশে ক্রম ঘনীভূত হওয়া সমস্যার গুরুত্ব সর্বপ্রথম বিশেষভাবে সামনে আসে ১৯৭২ সালে স্টকহোমে অনুষ্ঠিত মানব-পরিবেশ শীর্ষক জাতিসংঘ সম্মেলন (The United Nations Conference on Human Environment)-এর মাধ্যমে। তারপর এই বিষয়ে সচেতনতা এবং পরিবেশের অবনমন নিয়ন্ত্রণে আনতে পদক্ষেপ নেওয়া যে প্রয়োজনীয় সে বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে।

বস্তুত ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ যখন স্বাধীন হয় তখন দেশে দেশে বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রাকৃতিক পরিবেশ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচ্য বিষয় ছিল না। অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করে দারিদ্র্য বিমোচনই সেই সময় ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

ঐ বাস্তবতায় দেখা যায়, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পরিবেশের বিভিন্ন দিক সম্বন্ধে সচেতন ছিলেন এবং পরিবেশ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তিনি অনুধাবন করেছিলেন যে, বাংলাদেশের বিধ্বস্ত অর্থনীতির পুনরুদ্ধার ও অগ্রগতি এবং মানুষের জীবন রক্ষা ও তাদের জীবনমানের অব্যাহত উন্নতির জন্য প্রাকৃতিক সম্পদের সুরক্ষা ও উন্নয়নের দিকেও নজর দিতে হবে।

ঐ সময়ে বিশ্বে বিরাজমান উন্নয়ন-ধারণার (যার মধ্যে পরিবেশ সংরক্ষণ সমন্বিত ছিল না) পরিপ্রেক্ষিতে বঙ্গবন্ধুর পরিবেশ বিষয়ে সচেতনতা এবং এ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু পদক্ষেপ তার অসাধারণ প্রজ্ঞা ও বিচক্ষণতার পরিচায়ক।

বলা বাহুল্য, একটি বিধ্বস্ত অর্থনীতি এবং দেশের অসংখ্য দরিদ্র মানুষের পুনর্বাসন ও ঘুরে দাঁড়ানো নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ব্যবস্থা গ্রহণে তার ধ্যান ও অক্লান্ত পরিশ্রম নিবদ্ধ ছিল। তদুপরি দেখা যায়, ঐ গুরুদায়িত্ব পালনে অতি ব্যস্ত থাকার পাশাপাশি তিনি পরিবেশ সচেতনতায় উদ্দীপ্ত ছিলেন।

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য বন্যপ্রাণীর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। জীববৈচিত্র্য ক্রমশ সংকুচিত হচ্ছে বিশ্বব্যাপী। মানুষের অত্যাচার-আক্রমণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে ঠান্ডা-গরমের ব্যাপক তারতম্যে বন্যপ্রাণীর পারিপার্শ্বিকতা ক্রমশ প্রতিকূল হচ্ছে। তাই বন্যপ্রাণীর সুরক্ষার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।

বঙ্গবন্ধু এই বিষয়টি তখনই উপলব্ধি করেন এবং তারই নির্দেশে ‘বণ্যপ্রাণী (সংরক্ষণ) আদেশ ১৯৭৩’ জারি করা হয় ১৯৭৩-এর ১৭ই মার্চ। পরে এই আদেশটি দুই দফা সংশোধন করা হয় এবং ‘বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ) আইন (সংশোধিত), ১৯৭৪’ প্রণয়ন করা হয়।

বেশির ভাগ দেশীয় বন্যপ্রাণী ধরা, মারা, শিকার বা আহত করা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। এই আইনের আওতায় উপযুক্ত যে কোনো স্থানে সরকার বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, জাতীয় উদ্যান, সংরক্ষিত এলাকা প্রতিষ্ঠা করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়। জীববৈচিত্রের বর্তমান নাজুক অবস্থা নিয়ে আজ সবাই উদ্বিগ্ন। বঙ্গবন্ধু বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের লক্ষ্যে যে পথ দেখিয়েছিলেন সেই পথ সঠিকভাবে অনুসরণ করলে বাংলাদেশে জীববৈচিত্র্য বর্তমানের তুলনায় যথেষ্ট ভালো অবস্থায় থাকত বলে আমার বিশ্বাস।



বঙ্গবন্ধু নদীমাতৃক বাংলাদেশের জন্য নৌপথের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। নদনদী সারা দেশে বিস্তৃত এবং নৌপথে খরচও কম হয়। কাজেই মানুষের যাতায়াত ও মালামাল পরিবহনে নৌপথ একটি বিশেষ ভূমিকা পালন করতে পারে। সম্প্রতি নদী ড্রেজিং করে নৌপথ উন্নয়নের নীতি ও চেষ্টা থাকলেও, অগ্রগতি সীমিতই রয়ে গেছে।

বস্তুত এই নদীমাতৃক দেশে উন্নত মানের নৌপথ নেটওয়ার্ক দেশব্যাপী অপেক্ষাকৃত সুলভ নৌপরিবহন ও নৌভ্রমণ নিশ্চিত করে সোনার বাংলা গড়তে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারত, যা থেকে এখন পর্যন্ত দেশ, দেশের মানুষ বঞ্চিত রয়ে গেছে। বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথে বর্তমানের বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে এক্ষেত্রে বিশেষ নজর দেওয়া জরুরি।

বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে এক বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে অনেক হাওর রয়েছে। হাওরগুলোর মোট আয়তন প্রায় ৮ লাখ ৫০ হাজার হেক্টর, যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। দেশে মোট ধান উত্পাদনের ১৬-১৭ শতাংশ এবং মাছ উত্পাদনের কমবেশি এক-পঞ্চমাংশ হাওরাঞ্চল জোগান দিয়ে থাকে।

এছাড়া প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ও জীববৈচিত্র্যের (বিশেষ করে মাছের ক্ষেত্রে) এক লীলাভূমি হাওরগুলো। লোকসংগীতের ক্ষেত্রে হাওরাঞ্চল এক উজ্জ্বল ভূমিকা রেখে চলেছে। হাওরগুলোর নানামুখী গুরুত্ব অনুধাবন করে বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালে হাওর উন্নয়ন বোর্ড গঠনের নির্দেশ দেন। ১৯৮২ সালে এই বোর্ড বিলুপ্ত করা হয়। পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ২০০১ সালে আবার ‘বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমির উন্নয়ন বোর্ড’ গঠিত হয়।

শেষ পর্যন্ত ২০১৪ সালের ১৭ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই বোর্ডকে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর’ পর্যায়ে উন্নীত করার নির্দেশ দেন এবং সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে ২৪ জুলাই ২০১৬ তারিখে অধিদপ্তরটি গঠিত হয়।

ইতিমধ্যে এর কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়নসংক্রান্ত জাতীয় কমিটি গঠন করা হয় এবং হাওরাঞ্চলের জনজীবন, জীবিকা, পরিবেশ-প্রতিবেশসহ সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০১২-২০৩২ সাল পর্যন্ত ২০ বছর মেয়াদি একটি হাওর মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়।

বাস্তবে এখনো হাওরের মানুষ নানাবিধ সমস্যাকবলিত। ফ্লাশ বন্যায় সময়ে সময়ে ধান নষ্ট হয়। অনেক সময় এরকম ঘটে সময়মতো বাঁধ মেরামত না করার জন্য। কিছু মানুষের কাছে হাওরের জলাশয় ও খাল বিল ইজারা দেয়ায় সাধারণ মানুষ বঞ্চিত হচ্ছে।

এমনকি বর্ষার সময় খোলা পানিতে আইনসংগত হওয়া সত্ত্বেও তাদেরকে মাছ ধরতে দেওয়া হয় না। বর্ষাকালে চলাচল বিঘ্নিত হওয়ার কারণে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়। হাওরে জীবনযাপন কষ্টসাধ্য হওয়ার কারণে সরকারি কর্মকর্তা এমনকি অনেক এনজিও কর্মকর্তাও কর্মস্থলে থাকেন না। ফলে হাওরের মানুষ স্বাস্থ্যসেবা ও অন্যান্য সহযোগিতা থেকে প্রায়শ বঞ্চিত থাকেন।

উপর্যুক্ত এবং অন্যান্য সমস্যা মহাপরিকল্পনায় থাকার কথা। হাওর ও হাওরের মানুষের উন্নয়নে পরিকল্পিত, কার্যকর ও ধারাবাহিক বহুমাত্রিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন জরুরি। যেহেতু প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে হাওর উন্নয়ন সংক্রান্ত জাতীয় কমিটি গঠিত হয়েছে এবং একটি মহাপরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে, আশা করা যায় বাস্তবতার নিরিখে হাওর উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের বাস্তবায়ন গতি পাবে।



এরকম ঘটলেই তা হাওরাঞ্চলের মানুষের তথা জাতীয় উন্নয়নে খুবই গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হবে এবং একই সঙ্গে জাতীয় অবয়বে হাওরের গুরুত্ব অনুধাবন করে হাওর উন্নয়নে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনার প্রতি প্রকৃত সম্মান প্রদর্শন করা হবে।

সমুদ্র এবং সমুদ্র অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অধিকার বিষয়ে বঙ্গবন্ধু সচেতন ছিলেন। আমরা জানি, জার্মানিতে অনুষ্ঠিত সমুদ্র আইনসংক্রান্ত আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে ২০১২ সালের ১৪ মার্চ তারিখে প্রদত্ত রায় অনুযায়ী মিয়ানমারের সঙ্গে এবং নেদারল্যান্ডস-এ অবস্থিত স্থায়ী সালিশি আদালত (Permanent Court of Arbitration)-এর ২০১৪ সালের ৭ জুলাই তারিখে প্রদত্ত রায় অনুযায়ী ভারতের সঙ্গে বিরোধের নিষ্পত্তি হয় এবং উভয় ক্ষেত্রে বাংলাদেশ জয়লাভ করে। ফলে বাংলাদেশ ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটার রাষ্ট্রীয় সমুদ্র পায় এবং এর বাইরেও মহিসোপানে বাংলাদেশের অবাধ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হয়।

সমুদ্রে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও বঙ্গবন্ধু সরকার সমুদ্রসংক্রান্ত Territorial Waters and Maritime Zones Act, 1974 জারি করে প্রাথমিক পদক্ষেপ নেয়। এই আইনের মাধ্যমে উপকূলীয়, সংলগ্ন ও অর্থনৈতিক অঞ্চল, সংরক্ষিত এলাকা এবং মহিসোপানে বাংলাদেশের আইনগত কর্তৃত্ব ঘোষণা করা হয়। তবে কোনো অংশ নিয়ে অন্য কোনো দেশের সঙ্গে বিরোধ থাকলে তা সমাধানে আলোচনায় বসা যেতে পারে।

তাতে সমস্যার সমাধান না হলে, সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক আইনি বা সালিশি ব্যবস্থার আশ্রয় নেওয়া যেতে পারে। ভারতের পক্ষ থেকে তখনই একটি অংশের ওপর দাবি উত্থাপন করায় বঙ্গবন্ধু সরকার ভারত সরকারের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে এবং এক পর্যায়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব ভারতের তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এবং বাংলাদেশের তদানীন্তন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উপর ন্যস্ত করা হয়।

তবে তার জীবনদ্দশায় এ বিষয়ে ভারতের সঙ্গে কোনো চুক্তি সম্পাদিত হয়নি। তাছাড়া মিয়ানমারও কিছু অংশে দাবি উত্থাপন করে। বঙ্গবন্ধুর পর দীর্ঘদিন ক্ষমতায় আসীন অন্য কোনো দলীয় বা সামরিক সরকার এই সমস্যার সমাধান করেনি বা করতে পারেনি।

এটি নিশ্চয়ই তাত্পর্যপূর্ণ যে বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই ভারত এবং মায়ানমারের সঙ্গে সমুদ্র বিরোধের বাংলাদেশের পক্ষে সফল সমাধান হয়। নিশ্চয়ই সমুদ্রে বাংলাদেশের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার যে কার্যক্রম বঙ্গবন্ধু শুরু করেছিলেন তা নিঃসন্দেহে বাস্তবতার আলোকে একটি বিচক্ষণ পদক্ষেপ ছিল।

উপসংহারে বলতে চাই, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের পরিবেশ ভাবনা’ বিষয়ে তথ্য প্রাপ্তি সহজ ছিল না। হাতে থাকা সংক্ষিপ্ত সময়ে সম্ভাব্য সব অনুসন্ধানে যে সকল তথ্য সংগ্রহ করা গেছে, সেগুলোর ভিত্তিতে উপর্যুক্ত আলোচনা-বিশ্লেষণ উপস্থাপন করা হয়েছে। এ থেকে দেখা যাচ্ছে মাত্র সাড়ে তিন বছরের শাসনামলে পরিবেশ বিষয়েও তিনি অত্যন্ত দূরদর্শী চিন্তাভাবনা করেছেন এবং অনেকগুলো উদ্যোগও গ্রহণ করেছেন।

“Green Page” কে সহযোগিতার আহ্বান

সম্পর্কিত পোস্ট

Green Page | Only One Environment News Portal in Bangladesh
Bangladeshi News, International News, Environmental News, Bangla News, Latest News, Special News, Sports News, All Bangladesh Local News and Every Situation of the world are available in this Bangla News Website.

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন, তবে আপনি ইচ্ছা করলেই স্কিপ করতে পারেন। গ্রহন বিস্তারিত