27 C
ঢাকা, বাংলাদেশ
ভোর ৫:২৩ | ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
গ্রীন পেইজ
মেহেন্দিগঞ্জে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে নদী ভাঙন, দিশেহারা মানুষ
প্রাকৃতিক দুর্যোগ

মেহেন্দিগঞ্জে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে নদী ভাঙন, দিশেহারা মানুষ

মেহেন্দিগঞ্জে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে নদী ভাঙন। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে মানুষ।  জানা যায় প্রমত্তা মেঘনা, মাসকাটা, কালাবদর, ইলিশা ও তেতুলিয়া এই ৪ নদীর ভাঙনে বিপর্যস্ত বরিশালের দ্বীপ উপজেলা মেহেন্দিগঞ্জ। সংলগ্ন হিজলা উপজেলায়ও নদী ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। গত এক মাসের ভাঙনে নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে দুই উপজেলার ৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন, বাড়িঘর, রাস্তাঘাট, ফসলি জমি।

এখনও নদী ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে চারদিকে নদী বেষ্টিত মেহেন্দিগঞ্জ এবং সংলগ্ন হিজলা। সহায় সম্বল রক্ষায় দ্রুত নদী ভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। বেড়িবাঁধ নির্মাণ এবং ডুবোচর কেটে নদীর গতিপথ পরিবর্তনের মাধ্যমে ভাঙন রোধ করা সম্ভব বলছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য পংকজ নাথ।

নদী ভাঙনসহ নানা প্রকৃতিক দুর্যোগের সাথেই বসবাস চারদিকে নদী বেষ্টিত মেহেন্দিগঞ্জ এবং চরবেষ্টিত সংলগ্ন হিজলার উপজেলার মানুষের। একাধিকবার নদী গর্ভে বাড়িঘর বিলীন হওয়ার পর এখনও নদী ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে হাজার হাজার পরিবার। সাম্প্রতিক সময় উত্তরের বন্যা এবং জোয়ারের পানির প্রভাবে মেহেন্দিগঞ্জের চর এককরিয়া, উত্তরচর, আলীগঞ্জ, রুকুন্দি, স্টিমারঘাট, জাঙ্গালিয়া, চরগোপালপুর, শ্রীপুর, আলীমাবাদ ও দড়িরচর খাজুরিয়া এবং হিজলার পুরাতন হিজলা, দক্ষিণ বাউশিয়া ও হরিনাথপুর এলাকায় নদী ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের হিসেবে গত ১ মাসে দুই উপজেলার ৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাকা ভবনসহ বাড়িঘর, স্থাপনা, রাস্তাঘাট ও বিস্তির্ণ ফসলি জমি নদীতে হারিয়ে গেছে। নদী ভাঙনে নিঃস্ব হয়ে গেছে অনেক পরিবার। এখনও ভাঙন আতংকে দিন কাটছে এসব এলাকার মানুষের। স্থায়ীভাবে নদী ভাঙন রোধ করার দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দারা।

গত বুধবার মেহেন্দিগঞ্জের উত্তরচর এলাকায় মেঘনা নদী ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে স্থানীয়দের শান্ত্বনা দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য পংকজ নাথ। বেড়িবাঁধ নির্মাণ এবং ডুবোচর কেটে নদীর গতিপথ পরিবর্তনের মাধ্যমে ভাঙন রোধে স্থানীয়দের আশ্বাস দেন তিনি।

বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. রাকিব জানান, এবার সারা দেশের মতো মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা উপজেলায়ও ব্যাপক নদী ভাঙন হয়েছে। দুই উপজেলায় শুধুমাত্র গত ১ মাসে ৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। দুই উপজেলার ভাঙন রোধে মন্ত্রণালয়ে প্রায় ৫শ’ কোটি টাকার একটি প্রকল্প জমা দেয়া আছে। এই প্রকল্প পাশ হলেই ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা মো. রাকিব।

সম্পর্কিত পোস্ট

Green Page | Only One Environment News Portal in Bangladesh
Bangladeshi News, International News, Environmental News, Bangla News, Latest News, Special News, Sports News, All Bangladesh Local News and Every Situation of the world are available in this Bangla News Website.

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন, তবে আপনি ইচ্ছা করলেই স্কিপ করতে পারেন। গ্রহন বিস্তারিত