25 C
ঢাকা, বাংলাদেশ
ভোর ৫:১৭ | ২৩শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
গ্রীন পেইজ
কৃষি পরিবেশ

মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের ৮০ মিটার বেড়িবাঁধের ধস, আতঙ্কে স্থানীয়রা

মেঘনার পানির চাপে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের মূল বেড়িবাঁধের ৮০ মিটার এলাকা ধসে গেছে। শুক্রবার রাত ৯টার দিকে বাঁধটির জনতাবাজার ও আমিরাবাদ এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে এ ঘটনা ঘটে। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। রাতেই পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কর্তৃপক্ষ বালুর বস্তা ফেলে সাময়িকভাবে ধসে পড়া স্থান মেরামত করে।

উপজেলার আমিরাবাদ এলাকার বাসিন্দা মো. সিয়াম ও মো. সোহেল বলেন, তাঁরা শুক্রবার রাত ৯টায় বেড়িবাঁধ ধসে পড়ার খবর পান। সঙ্গে সঙ্গে এলাকার লোকজন নিয়ে সেখানে যান। দেখতে পান, বেড়িবাঁধটির দক্ষিণ-পূর্ব পাড়ের অন্তত ৩০০ ফুট জায়গা মেঘনার দিকে ধসে পড়েছে। এ সময় বাঁধ ভেঙে যাচ্ছে বলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। লোকজন কিছু বালু দিয়ে ধসে পড়া স্থান মেরামতের চেষ্টা করেন। বিষয়টি পাউবো কর্তৃপক্ষকে মুঠোফোনে জানানো হয়। পরে পাউবোর প্রকৌশলী ও লোকজন ঘটনাস্থলে আসেন এবং কয়েক শ বালুর বস্তা ফেলে শুক্রবার রাতেই ধসে পড়া স্থানটি মেরামত করেন।

শনিবার সকাল ১০টায় সেচ প্রকল্পের মূল বেড়িবাঁধ ঘুরে দেখা গেছে, ফরাজীকান্দি ইউনিয়নের জনতাবাজার ও আমিরাবাদ এলাকার মধ্যবর্তী ৮০ মিটার এলাকা ধসে গেছে। সেখানে বিরাট গর্ত ও ফাটল দেখা দিয়েছে। ওই ফাটল দিয়ে মেঘনার পানির প্রবেশ ঠেকাতে চাঁদপুর পাউবোর লোকজন অনেকগুলো বালুর বস্তা ফেলে আপাতত মেরামত করেছেন। সেখানে পানি ঢোকা বন্ধ রয়েছে। বাঁধটির ধসে পড়া স্থান দেখতে সেখানে ভিড় করছেন স্থানীয় লোকজন।

সেচ প্রকল্পের ফতেপুর, সিপাইকান্দি ও ঠেটালিয়া এলাকার পানি ব্যবহারকারী দলের সাধারণ সম্পাদক গোলাম নবী খোকন বলেন, ১৯৮৮ সালে সেচ প্রকল্পের ৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ ওই মূল বেড়িবাঁধ নির্মিত হয়। নির্মাণের পর থেকে এ পর্যন্ত দুবার এটি ভেঙে যায়। লাখ লাখ টাকার ফসল ও ঘরবাড়ি বিনষ্ট হয়। তিনি অভিযোগ করেন, চাঁদপুর পাউবোর দায়িত্বহীনতা ও উদাসীনতার কারণে এবারও বাঁধটিতে বিরাট ধস নামে। আগে থেকে সতর্ক থাকলে এ ঘটনা ঘটত না।

সেচ প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা চাঁদপুর পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার প্রথম আলোকে বলেন, মেঘনার পানির চাপে বেড়িবাঁধটির ৮০ মিটার এলাকা ধসে গেছে। ধস ও সম্ভাব্য ভাঙন ঠেকাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ধসে পড়া স্থানে ২ হাজার ৫ হাজার বালুর জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। এতে স্থানটি আপাতত ঝুঁকিমুক্ত হয়েছে। পরে স্থায়ীভাবে স্থানটি মেরামত করা হবে। তিনি আরও বলেন, বেড়িবাঁধের কিছু অংশ ধসে পড়ায় আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। মেঘনার পানির চাপ ক্রমশ কমলে বাঁধটিও নিরাপদ থাকবে। সূত্র: প্রথম আলো

সম্পর্কিত পোস্ট

Green Page | Only One Environment News Portal in Bangladesh
Bangladeshi News, International News, Environmental News, Bangla News, Latest News, Special News, Sports News, All Bangladesh Local News and Every Situation of the world are available in this Bangla News Website.

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন, তবে আপনি ইচ্ছা করলেই স্কিপ করতে পারেন। গ্রহন বিস্তারিত