29 C
ঢাকা, বাংলাদেশ
ভোর ৫:৪০ | ১৪ই জুলাই, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
গ্রীন পেইজ
বৃষ্টির কারণে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও দাবানল আবারও ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করবে
আন্তর্জাতিক পরিবেশ

বৃষ্টির কারণে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও দাবানল আবারও ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করবে

অবশেষে বৃষ্টি নেমেছে অস্ট্রেলিয়ায়।সিডনি থেকে মেলবোর্ন পর্যন্ত পূর্ব উপকূলীয় এলাকায় মাঝারি ধরণের বৃষ্টি হয়েছে। তবে নিউ সাউথ ওয়েলসের কিছু কিছু এলাকায় মুষলধারে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এদিকে কর্তৃপক্ষ বলেছে, তাপমাত্রাও কমলেও দেশটিতে বুশফায়ার বলে পরিচিত যে দাবানল জ্বলছে তা আবারো বেগবান হবে।বৃহস্পতিবার নাগাদ তাপমাত্রা আবারো বেড়ে যাবে বলেও জানান দেশটির কতৃপক্ষ।

তারা আরো জানান, বৃষ্টির কারণে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও বাতাস এখনো মারাত্মকভাবে দূষিত।ভিক্টোরিয়া এবং নিউ সাউথ ওয়েলসে যে ব্যাপক আগুন জ্বলছে তা একসঙ্গে মিলে গেলে একটি মেগা ফায়ার বা বিশালাকার আগুন তৈরি হতে পারে।নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের প্রধান গ্ল্যাডসি বেরেজিকলিয়ান এসব কথা বলেছেন।

আগুনের কারণে যারা গৃহহীন হয়ে পড়েছেন সেসব হাজারো মানুষকে সহায়তা দেয়া অব্যাহত রেখেছে কর্তৃপক্ষ।মিস বেরেজিকলিয়ান বলেন, “এখন উদ্ধার তৎপরতা চালানোর সময়, যারা ঘর হারিয়েছে তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।”

আজ সোমবার সকালে, ভিক্টোরিয়ার করিয়ং এলাকার দাবানল এবং নিউ সাউথ ওয়েলসের কোসিউজকো ন্যাশনাল পার্কের দুটি দাবানলের মাঝে মাত্র ১০ কি.মি. এর ব্যবধান ছিল।সকলকে সতর্ক  করে ভিক্টোরিয়ার জরুরি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কমিশনার অ্যান্ড্রু ক্রিস্প বলেছেন, এই দুটি দাবানল সীমান্ত এলাকায় এক হয়ে যাবে যা কিছুতেই থামানো “সম্ভব নয়”।”পরিবেশ আবারো উষ্ণ হবে” এবং আগুন “আবারো বেগবান হবে।”

এর পূর্বে ভিক্টোরিয়া রাজ্যে ২৫টি স্থানে সতর্কতামূলক “ওয়াচ এন্ড অ্যাক্ট” অ্যালার্ট ও সাউথ অস্ট্রেলিয়ায় একটিতে এ ধরণের অ্যালার্ট জারি ছিল।

এদিকে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ৬৯ হাজার মার্কিন ডলার ত্রাণ সহায়তার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়া আরো ২ বিলিয়ন অস্ট্রেলীয় ডলার আগামি দুই বছরে পুনর্বাসন কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য বরাদ্দ করা হবে বলে জানিয়েছেন  প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন ।এছাড়াও তিনি বলেন, এই সংকট কয়েক মাস ধরে চলবে।আগুনে যারা ঘর-বাড়ি এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হারিয়েছে তাদের সহায়তায় একটি সংস্থা চালু করা হবে।

উল্লেখ্য. অস্ট্রেলিয়া অন্যতম ভয়ঙ্কর দাবানলের মৌসুমগুলোর একটি পার করছে। যার পেছনে কাজ করেছে রেকর্ড পার করা তাপমাত্রা এবং মাসের পর মাস ধরে চলা খরা।প্রতিবছরই দেশটিতে দাবানল হয় তবে এ বছর স্বাভাবিকের তুলনায় এটি অনেক ভয়াবহ ছিল।গত সেপ্টেম্বরে আগুন শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ২৪ জন মারা গেছে। রাজধানী ক্যানবেরার বাতাসের মান সম্প্রতি বিশ্বে সবচেয়ে খারাপ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সম্পর্কিত পোস্ট

Green Page | Only One Environment News Portal in Bangladesh
Bangladeshi News, International News, Environmental News, Bangla News, Latest News, Special News, Sports News, All Bangladesh Local News and Every Situation of the world are available in this Bangla News Website.

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন, তবে আপনি ইচ্ছা করলেই স্কিপ করতে পারেন। গ্রহন বিস্তারিত