33 C
ঢাকা, বাংলাদেশ
সন্ধ্যা ৬:১১ | ২৭শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ বঙ্গাব্দ
গ্রীন পেইজ
বন্ধ করা যাচ্ছে না পলিথিনের ব্যবহার
বাংলাদেশ পরিবেশ

বন্ধ করা যাচ্ছে না পলিথিনের ব্যবহার

বন্ধ করা যাচ্ছে না পলিথিনের ব্যবহার

মানুষের কাছে সস্তা বিকল্প না থাকায় পলিথিনের ব্যবহার বন্ধ করা যাচ্ছে না। বিকল্প হিসেবে পাটের থলে ব্যবহারের কথা বলা হলেও এটি বলতে গেলে চোখেই পড়ে না। পাট শিল্পের সোনালী অতীত পেছনে ফেলে এখন পলিথিন-বিপর্যয়ের দিকে ছুটছে দেশ।



বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীক বলেন, বাজারে পলিথিন ব্যাগ বন্ধ করে পাটের ব্যাগের ব্যবহার বাড়াতে মোবাইল কোর্টের মনিটরিং জোরদার করতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এরপর আবার আলোচনায় আসে পলিথিন। এর আগের সরকারের সময়ও পলিথিনের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয়েছিল। তখন সাময়িকভাবে এর ব্যবহার কমে আসে। কিন্তু এরপর দীর্ঘ সময়ে পলিথিনের বিকল্প গড়ে ওঠেনি। পরিবেশের তোয়াক্কা না করে মানুষও ব্যবহার করছে পলিথিন।

আমাদের দেশে যেভাবে ব্যবহারের পর পলিথিন ছুড়ে ফেলা হচ্ছে তা পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতির। এটি পচনশীল নয় বলে পরিবেশে থেকে যায় বছরের পর বছর। এটা প্রায় প্রত্যেকেই জানে। তারপরও থেমে নেই পলিথিনের যথেচ্ছ ব্যবহার। সমস্যাটা শুধু বাংলাদেশের নয়, বিশ্বব্যাপী। সারা বিশ্বই এখন প্লাস্টিক বর্জ্যের দূষণ নিয়ে সোচ্চার হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের বাইরে ময়লা ফেলার সময় পচনশীল ও অপচনশীন বর্জ্য আলাদা করা হয়। এতে যিনি ময়লা ফেলছেন তিনি প্রথমেই পলিথিন ও প্লাস্টিক জাতীয় বস্তুগুলো আলাদা করে ফেলেন। আমাদের দেশে গৃহস্থালীর বর্জ্য আলাদা না করে একসঙ্গেই ফেলা হয়। ডাস্টবিনে গিয়েও সেটি আলাদা করে না সিটি করপোরেশন।

কেন পলিথিনের জায়গা দখল করতে পারলো না পাটের ব্যাগ—এমন প্রশ্নে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাটের ব্যাগ পরিবেশবান্ধব। মাটিতে মিশলে তা জৈব সার তৈরি করে। কিন্তু পাটের ব্যাগ এখন বাজারেই পাওয়া যায় না।

দেশের সরকারি পাটকলগুলোরও উৎপাদন বন্ধ। বেসরকারি পাটকলও উৎপাদন করছে না। ব্যাগ পাওয়াই কঠিন। পাটের ব্যাগের দামও এখন ২০-৫০ টাকা। অন্যদিকে এক কেজি পলিথিন পাওয়া যায় ১৫০-১৮০ টাকায়।



বিশেষজ্ঞরা জানান, পাটের ব্যাগের বিকল্প হতে পারতো কাপড় ও কাগজের ব্যাগ। দেশের বড় বিপণীবিতানগুলো এটি ব্যবহার করলেও প্রান্তিক দোকানিরা পলিথিনেই আটকে আছেন।

সবজি, ফল ও মুদি দোকানিরা পলিথিনই ব্যবহার করছেন বেশি। এখানে মনিটরিং জোরদার করলে পলিথিনের ব্যবহার বন্ধ করা যেত।

পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পরিবেশ দূষণ বিভাগ) কেয়া খান বলেন, প্রকৃতপক্ষে আমরা সস্তা বিকল্প দিতে পারছি না। তবে প্রকল্প হাতে নিয়েছি। আমরা রিসাইকেল করবো। পলিথিনের একবার ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। তবে বেশি দরকার মানুষকে সচেতন করা।

পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের আবু নাসের খান বলেন, ‘আমাদের উচিত সস্তা বিকল্প। সঙ্গে কঠোর মনিটরিং। যাতে মানুষ পলিথিন ব্যবহার করতে না পারে। মানুষ ব্যবহার করতে না পারলে নিজেই বিকল্প খুঁজে নেবে।’

“Green Page” কে সহযোগিতার আহ্বান

সম্পর্কিত পোস্ট

Green Page | Only One Environment News Portal in Bangladesh
Bangladeshi News, International News, Environmental News, Bangla News, Latest News, Special News, Sports News, All Bangladesh Local News and Every Situation of the world are available in this Bangla News Website.

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন, তবে আপনি ইচ্ছা করলেই স্কিপ করতে পারেন। গ্রহন বিস্তারিত