35 C
ঢাকা, বাংলাদেশ
রাত ৮:২৪ | ১৮ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ বঙ্গাব্দ
গ্রীন পেইজ
ফেলে দেওয়া বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে বাংলাদেশ: মেয়র আতিক
পরিবেশ গবেষণা

ফেলে দেওয়া বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে বাংলাদেশ: মেয়র আতিক

ফেলে দেওয়া বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে বাংলাদেশ: মেয়র আতিক

ফেলে দেওয়া বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ নতুন যুগে প্রবেশ করবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে বাংলাদেশে একটা বিরাট বিপ্লব ঘটবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ নতুন যুগে প্রবেশ করবে। যে বর্জ্য পরিবেশের ক্ষতি করত, মিথেন গ্যাস সৃষ্টি করত, সেগুলো এখন সম্পদে পরিণত হবে।



রবিবার সন্ধ্যায় বেইজিংয়ের চায়না মেশিনারি ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশনের (সিএমইসি) কার্যালয়ে ডিএনসিসি ও সিএমইসি শীর্ষ কর্মকর্তাদের বৈঠকে মেয়র এসব কথা বলেন।

এ সময় ডিএনসিসির মেয়র ও কর্মকর্তাদের বিভিন্ন দেশে চলমান সিএমইসির প্রকল্প সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়। এরই মধ্যে চায়নিজ কোম্পানিটি বেলারুশ, আর্জেন্টিনা, আরব আমিরাত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশে সফলতার সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে বলে বৈঠকে বলা হয়।

ঢাকায় প্রকল্প উদ্বোধনের সম্ভাব্য তারিখ ৫ জুলাই নির্ধারণ করা হয়েছে বলে বৈঠক শেষে জানান মেয়র আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। সিএমইসি কনফার্ম (চূড়ান্ত) করেছে ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের তারিখ ৫ জুলাই। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সব খরচও ওই কোম্পানি বহন করবে।

আমরা আশা করছি বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ প্রকল্প প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করবেন। বর্জ্য যে বিরাট বড় সম্পদ, বর্জ্য থেকে যে টাকা আয় করা সম্ভব আজকে তা প্রমাণ হতে চলছে।’

সিএমইসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ফনগ ইয়ানসু বলেন, ‘বৈশ্বিকভাবে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও নগরায়ণের প্রভাবে মানুষের জীবনযাত্রায় অনেক চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। চীন ও বাংলাদেশ দুটোই অধিক জনসংখ্যার দেশ।



ফলে এসব দেশে সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না করলে পরিবেশ দূষণ বাড়ে। আমরা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য এমন ব্যবস্থা রেখে যেতে পারি না। বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থাপনায় বেইজিং এখন সুফল পাচ্ছে। এই প্রকল্প ঢাকাতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।’

বৈঠকে অংশ নিয়েছেন বেইজিংয়ে অবস্থানরত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত মো. জসিম উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘বেইজিং যে বর্তমানে পরিচ্ছন্ন শহর তার পেছনে রয়েছে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কর্মসূচি।

এতে একদিকে যেমন দূষণ কমেছে, অন্যদিকে মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। চীন বাংলাদেশের উন্নয়নে অন্যতম অংশীদার। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে সিএমসিই বাংলাদেশে কাজ করছে জেনে ভালো লাগছে। ঢাকায় পরিবেশবান্ধব এমন প্রকল্পের জন্য ধন্যবাদ জানাই ডিএনসিসি মেয়রকে।’

বৈঠকে আলোচনায় আরও অংশ নেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এস এম শরিফ-উল ইসলাম, প্রকল্প পরিচালক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এস. এম. শফিকুর রহমান।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মোহ. শের আলী, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব ড. মো. বেলাল হোসেন, ডিএনসিসির ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জাকির হোসেন বাবুল, ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইসহাক মিয়া, সংরক্ষিত নারী (৪, ১৫, ১৬) কাউন্সিলর সাহেদা আক্তার শীলা, ডিএনসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা ড. মো. মাহে আলম প্রমুখ।



২০২১ সালের ডিসেম্বরে সিএমইসির সঙ্গে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পের বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করে ডিএনসিসি। চুক্তি অনুসারে, চীনা কোম্পানি নিজ ঝুঁকিতে প্ল্যান্ট স্থাপন, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করবে।

সিটি করপোরেশন প্রয়োজনীয় জমি ও নিয়মিত বর্জ্য সরবরাহ করবে। আর বিদ্যুৎ বিভাগ উৎপাদিত বিদ্যুৎ ক্রয় করবে। রাজধানীর গাবতলী সংলগ্ন আমিনবাজার এলাকায় বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট তৈরির জন্য ডিএনসিসি ইতিমধ্যে জমি অধিগ্রহণ শেষ করেছে।

“Green Page” কে সহযোগিতার আহ্বান

সম্পর্কিত পোস্ট

Green Page | Only One Environment News Portal in Bangladesh
Bangladeshi News, International News, Environmental News, Bangla News, Latest News, Special News, Sports News, All Bangladesh Local News and Every Situation of the world are available in this Bangla News Website.

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন, তবে আপনি ইচ্ছা করলেই স্কিপ করতে পারেন। গ্রহন বিস্তারিত