29 C
ঢাকা, বাংলাদেশ
রাত ১:৩৫ | ২রা অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
গ্রীন পেইজ
ফারাক্কা বাঁধের গেট খুলে দেওয়ায় বন্যার তীব্রতা বেড়ে গেছে হঠাৎ
সাম্প্রতিক সংবাদ

ফারাক্কা বাঁধের গেট খুলে দেওয়ায় বন্যার তীব্রতা বেড়ে গেছে হঠাৎ

বন্যার তীব্রতা বেড়ে গেছে হঠাৎ। দেশের উজানে ভারতীয় নদী থেকে আসা পানির ফলে বন্যা দেখা দিয়েছে। তবে বন্যার তীব্রতা এখনো বোঝাযাচ্ছে না।  কিন্তু চলমান অবস্থা স্থির থাকলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল প্লাবিত হবে কঠিনভাবে। এরই মধ্যে দেখা যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। যা আমাদের অর্থনীতি ও পরিবেশকে ভিষণভাবে বিপর্যস্ত করছে।

বাংলাদেশ সরকারের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের পূর্বাভাস ছিল, চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে দেশে আবারও বন্যা দেখা দিতে পারে। কিন্তু হঠাৎ করে গঙ্গা ও পদ্মা অববাহিকায় পানি বেড়ে গেছে অতিরিক্ত। যার ফলে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও কুষ্টিয়া জেলায় বন্যা দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ ৬০ বছরের ইতিহাসে দেশে এবারই প্রথম অক্টোবর মাসে এ ধরনের বন্যা দেখা দিয়েছে বাংলাদেশে।

মূলত বাংলাদেশের উজানে ভারতীয় অংশে গঙ্গা নদী থেকে আসা পানির কারণে এই বন্যা দেখা দিয়েছে। ভারতীয় অংশে ফারাক্কা বাঁধের বেশির ভাগ গেট খুলে দেওয়ায় বন্যার তীব্রতা বেড়ে গেছে হঠাৎ।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র বলছে, দেশের বিভিন্ন নদ-নদীর ৯৩টি পয়েন্টের মধ্যে ৭৪টির পানি বাড়ছে। এর মধ্যে পদ্মা, গঙ্গা ও গড়াই নদ-নদীর অনেকগুলো পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা কাছাকাছি রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বন্যা ৮ থেকে ১০ দিন স্থায়ী হতে পারে। এই সময়ে দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের বেশির ভাগ নিম্নাঞ্চল ও চর এলাকায় রয়েছে পেকে ওঠা আমন ধান ও শীতের আগাম সবজি। বন্যায় এর বড় অংশের ব্যাপক ক্ষতি ও নদীভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এ ব্যাপারে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক আইনুন নিশাত জানান বলেন, এপ্রিল ও সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের বন্যা সব সময় খুব মারাত্মক হয়। অক্টোবর মাসে কখনোই এ ধরনের বন্যা বাংলাদেশে হয়নি। তবে এই বন্যায় মূলত চর এলাকাগুলো শুরুতে ডুবে যাবে। এই পানি নামতে মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত লেগে যেতে পারে।

ভারতের উত্তর প্রদেশ ও বিহার রাজ্যে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে। এতে গঙ্গা অববাহিকার রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে দেখা দিয়েছে প্রবল বন্যা। এই বন্যার পানির চাপ বেড়ে যাওয়ায় পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের ফারাক্কা ব্যারাজ ভেঙে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিলে ব্যারাজের ১১২টি স্লুইসগেট বা জলকপাট খুলে দিয়েছে ফারাক্কা ব্যারাজ কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষ বলেছে, ফারাক্কায় গঙ্গার পানি বিপৎসীমার ৭ ফুট ওপর দিয়ে বইছে। ফলে ফারাক্কা ব্যারাজ ভেঙে যাওয়ার হুমকির মুখে পড়লে কর্তৃপক্ষ গেটগুলো খুলে দেয়। ছেড়ে দেওয়া পানি ছুটে গেছে বাংলাদেশের দিকে।

তবে বাংলাদেশ সরকারের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে প্রতি জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ফারাক্কা ব্যারাজের গেটগুলো খোলা থাকে। গঙ্গা অববাহিকার উজানে নিম্নচাপজনিত কারণে ব্যাপক বৃষ্টি হয়েছে। এতে ভারত ও বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে বন্যা দেখা দিয়েছে।

পদ্মা নদীতে পানি বাড়ায় ডুবে গেছে বসতবাড়ি। পোষা ছাগল নিয়ে নৌকায় আশ্রয় নিয়েছে কয়েকটি পরিবার। গতকাল রাজশাহীর পবার চরখিদিরপুরে। ছবি: শহীদুল ইসলামপদ্মা নদীতে পানি বাড়ায় ডুবে গেছে বসতবাড়ি। পোষা ছাগল নিয়ে নৌকায় আশ্রয় নিয়েছে কয়েকটি পরিবার। গতকাল রাজশাহীর পবার চরখিদিরপুরে। ছবি: শহীদুল ইসলামসরকারের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের পূর্বাভাস ছিল, চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে দেশে আবারও বন্যা দেখা দিতে পারে। কিন্তু হঠাৎ গঙ্গা ও পদ্মার অববাহিকায় বেড়ে গেছে পানি। এতে করে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং কুষ্টিয়া জেলায় বন্যা দেখা দিয়েছে। গত ষাট বছরের ইতিহাসে দেশে এবারই প্রথম অক্টোবর মাসে এই ধরনের বন্যা দেখা দিয়েছে।

মূলত বাংলাদেশের উজানে ভারতীয় অংশে গঙ্গা নদী থেকে আসা পানির কারণে এই বন্যা দেখা দিয়েছে। ভারতীয় অংশে ফারাক্কা বাঁধের বেশির ভাগ গেট খুলে দেওয়ায় বন্যার তীব্রতা হঠাৎ বেড়ে গেছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র বলছে, দেশের বিভিন্ন নদ-নদীর ৯৩টি পয়েন্টের মধ্যে ৭৪টির পানি বাড়ছে। এর মধ্যে পদ্মা, গঙ্গা ও গড়াই নদ-নদীর অনেকগুলো পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই করছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বন্যা ৮ থেকে ১০ দিন স্থায়ী হতে পারে। এই সময়ে দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের বেশির ভাগ নিম্নাঞ্চল ও চর এলাকায় রয়েছে পেকে ওঠা আমন ধান ও শীতের আগাম সবজি। বন্যায় এর বড় অংশের ব্যাপক ক্ষতি ও নদীভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

পদ্মায় পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই। মানুষের মতো পশুর জীবনও বিপন্ন। গতকাল কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের চিলমারীতে। তৌহিদী হাসানপদ্মায় পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই। মানুষের মতো পশুর জীবনও বিপন্ন। গতকাল কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের চিলমারীতে। তৌহিদী হাসানএ ব্যাপারে জানতে চাইলে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক আইনুন নিশাত  বলেন, এপ্রিল ও সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের বন্যা সব সময় খুব মারাত্মক হয়। অক্টোবর মাসে কখনোই এ ধরনের বন্যা বাংলাদেশে হয়নি। তবে এই বন্যায় মূলত চর এলাকাগুলো শুরুতে ডুবে যাবে। এই পানি নামতে মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত লেগে যেতে পারে।

ভারতের উত্তর প্রদেশ ও বিহার রাজ্যে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে। এতে গঙ্গা অববাহিকার রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে দেখা দিয়েছে প্রবল বন্যা। এই বন্যার পানির চাপ বেড়ে যাওয়ায় পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের ফারাক্কা ব্যারাজ ভেঙে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিলে ব্যারাজের ১১২টি স্লুইসগেট বা জলকপাট খুলে দিয়েছে ফারাক্কা ব্যারাজ কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষ বলেছে, ফারাক্কায় গঙ্গার পানি বিপৎসীমার ৭ ফুট ওপর দিয়ে বইছে। ফলে ফারাক্কা ব্যারাজ ভেঙে যাওয়ার হুমকির মুখে পড়লে কর্তৃপক্ষ গেটগুলো খুলে দেয়। ছেড়ে দেওয়া পানি ছুটে গেছে বাংলাদেশের দিকে।

তবে বাংলাদেশ সরকারের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে প্রতি জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ফারাক্কা ব্যারাজের গেটগুলো খোলা থাকে। গঙ্গা অববাহিকার উজানে নিম্নচাপজনিত কারণে ব্যাপক বৃষ্টি হয়েছে। এতে ভারত ও বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে বন্যা দেখা দিয়েছে।

পাবনায় ১৬ বছর পর বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। সকাল সাড়ে ১০টায় পাবনার ঈশ্বরদীর পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে। হাসান মাহমুদপাবনায় ১৬ বছর পর বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। সকাল সাড়ে ১০টায় পাবনার ঈশ্বরদীর পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে। হাসান মাহমুদবন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান ভূঁইয়া  বলেন, এই বন্যার পানি সপ্তাহখানেক বাড়তে পারে। তবে এখন পর্যন্ত যা ধরন, তা দেখে মনে হচ্ছে, এটি মাঝারি ধরনের বন্যা হবে। দেশের ২০ শতাংশ এলাকা এতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা আছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কুষ্টিয়া, পাবনা ও রাজশাহীর চর এলাকাগুলোতে বিপুল ফসলি জমি তলিয়ে গেছে। গড়াই নদে পানি বেড়ে যাওয়ায় কুষ্টিয়া শহরের জিকে ঘাটসংলগ্ন এলাকায় বেশ কয়েকটি বাড়িতে বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত কুষ্টিয়ার শিলাইদহ কুঠিবাড়ি রক্ষা বাঁধের দেড় কিলোমিটার অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। আর চাঁপাইনবাবগঞ্জে বন্যার কারণে ৪২ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

দেশের এমন পরিস্থিতিতে বন্যা মোকাবেলা করার জন্য সরকারের পাশাপাশি  সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। বন্যা মোকাবেলা করার জন্য পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে।

সম্পর্কিত পোস্ট

Green Page | Only One Environment News Portal in Bangladesh
Bangladeshi News, International News, Environmental News, Bangla News, Latest News, Special News, Sports News, All Bangladesh Local News and Every Situation of the world are available in this Bangla News Website.

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন, তবে আপনি ইচ্ছা করলেই স্কিপ করতে পারেন। গ্রহন বিস্তারিত