26 C
ঢাকা, বাংলাদেশ
দুপুর ১:০৭ | ২৬শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
গ্রীন পেইজ
প্লাস্টিকের বোতল, খাবারের প্যাকেট ফেলায় হুমকিতে সুন্দরবন
জীববৈচিত্র্য

প্লাস্টিকের বোতল, খাবারের প্যাকেট ফেলায় হুমকিতে সুন্দরবন

`যখন পর্যটকরা বনের মধ্যে প্লাস্টিক, কাগজপত্র এবং খাবারের প্যাকেট ফেলেন, তখন সেটা গাছের শ্বাসমূলে গিয়ে আটকে থাকে, বনের বিভিন্ন পশু-পাখি এগুলো খেয়ে ফেলে, তখন তারা মারা যায়’

সুন্দরবনে ঘুরতে আসা পর্যটকদের যেখানে সেখানে ফেলে রাখা খাবারের প্যাকেট এবং পানির বোতলসহ নানা রকম প্লাস্টিক বর্জ্য হুমকিতে ফেলছে বনের পশু-পাখি ও প্রাণীদের।

জোয়ারের পানিতে মিশে খাবারের প্যাকেট এবং পানির বোতলসহ নানা রকম প্লাস্টিক বর্জ্য বনের মধ্যে প্রবেশ করে আটকে যায় গাছপালার শ্বাসমূলে । যার ফলে গাছপালা মারা যাচ্ছে। বনে থাকা পশু-পাখি প্লাস্টিকের প্যাকেট খেয়ে ফেলায় মারা যাচ্ছে তারাও ।

বন বিভাগের উদাসীনতার কারণে সুন্দরবনের পূর্ব বিভাগের মধ্যে বাগেরহাটের শরণখোলা ও মংলার করমজল, পশ্চিমের মধ্যে সাতক্ষীরার শ্যামনগরের কলাগাছি এবং খুলনা জেলার কয়রার হাড়বাড়িয়া এলাকায় আসা ভ্রমনকারীরা অনেকটা এলোমেলোভাবে ঘুরে বেড়ান।

ঘুরে বেড়ানোর সময় তারা বনের বানর-হরিণকে নিজেদের সাথে আনা বিস্কুট, মুড়ি ও চিপসসহ নানা খাবার ছুড়ে দেন। তাদের দেয়া এসব খাবার খেয়ে সুন্দরবনে থাকা প্রাণীরা অনেকসময় অসুস্থ হয়ে পড়েন।

বনের কলাকাছি এলাকায় ঘুরতে আসা এক দর্শনার্থী পাইকগাছা গ্রামের হাফিজুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি জনান, “বনের বানরদের খাবার না দিলে তারা আমাদের তাড়া করে। ট্রলার থেকে নামতে দেয় না। আর হরিণকে খাবার দিলে তারা আমাদের কাছে চলে আসে, তখন খুব ভালো করে দেখা যায়। হরিণের গায়ে হাতও দেয়া যায়।”

পরিবেশ আইনজীবী সমিতির (বেলা) খুলনা বিভাগীয় সমন্বয়ক মাহফুজুর রহমান বলেন, সুন্দরবন হলো ম্যানগ্রোভ বন। এখানকার গাছের শ্বাসমূলটি সাধারণত ওপরে থাকে। যখন পর্যটকরা বনের মধ্যে প্লাস্টিক, কাগজপত্র ও বিভিন্ন রকমের খাবারের প্যাকেট ফেলেন, তখন সেটা গাছের শ্বাসমূলে গিয়ে আটকে থাকে। বনের বিভিন্ন পশু-পাখি এগুলো খেয়ে ফেলে। তখন তারা মারা যায়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, “আমার পূর্ব বন বিভাগে প্রাণীদের বাইরের খাবার দেয়ার সুযোগ নেই।”

এসব বিষয়ে পর্যটকদের সচেতন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন উল্লেখ করে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের খুলনার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. মদিনুল আহসান বলেন, “এভাবে প্রাণীদের খাবার দেয়ায় তারা অলস হয়ে পড়ছে। সেই সঙ্গে তারা হিংস্রও হয়ে উঠছে। বানরগুলো পুরোপুরি ডাকাতে পরিণত হয়েছে। পর্যটকদের তাড়া করছে। এসব প্রাণী এখন বনের খাবার খেতে চায় না।”

“Green Page” কে সহযোগিতার আহ্বান

সম্পর্কিত পোস্ট

Green Page | Only One Environment News Portal in Bangladesh
Bangladeshi News, International News, Environmental News, Bangla News, Latest News, Special News, Sports News, All Bangladesh Local News and Every Situation of the world are available in this Bangla News Website.

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন, তবে আপনি ইচ্ছা করলেই স্কিপ করতে পারেন। গ্রহন বিস্তারিত