26 C
ঢাকা, বাংলাদেশ
বিকাল ৫:৫১ | ১৯শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ বঙ্গাব্দ
গ্রীন পেইজ
পর্দা উঠেছে আর্ন্তজাতিক জলবায়ু সম্মেলনের
আন্তর্জাতিক পরিবেশ জলবায়ু

পর্দা উঠেছে আর্ন্তজাতিক জলবায়ু সম্মেলনের

পর্দা উঠেছে আর্ন্তজাতিক জলবায়ু সম্মেলনের

জলবায়ু বিপর্যয় এড়ানোর আহ্বানের মধ্য দিয়ে স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে শুরু হয়েছে ঐতিহাসিক জলবায়ু সম্মেলন (কপ-২৬)। রবিবার শুরু হওয়া এ সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন প্রায় ২০০টি দেশের প্রতিনিধিরা।

সেখানে তারা ধরিত্রীর সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের করণীয় নিয়ে আলোচনা করবেন। কথা বলবেন ২০৩০ সালের মধ্যে কীভাবে কার্বন নিঃসরণের মাত্রা কমিয়ে আনা যায় সেটি নিয়ে।

বিশ্বকে সুরক্ষায় এই সম্মেলনের সাফল্যের ওপর অনেকটাই নির্ভর করছে বিপর্যয় থেকে পৃথিবীকে বাঁচানোর প্রচেষ্টা কতটা কাজ করবে। সম্মেলনকে ঘিরে জলবায়ু পরিবর্তনের বিপর্যয় থেকে ধরিত্রীকে রক্ষায় বিশ্বনেতাদের কাছ থেকে জোরালো পদক্ষেপ চাইছেন জলবায়ু কর্মীরা। অন্যদিকে উন্নত, উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলোরও স্বতন্ত্র এজেন্ডা রয়েছে।

সম্মেলনের প্রথম দিন বক্তব্য রাখবেন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি এবং মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল্লাহ শহীদ। জলবায়ুর পরিবর্তনে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে মালদ্বীপের নিম্নাঞ্চলীয় দ্বীপগুলো চরম হুমকির মুখে।



এমন পরিস্থিতিতে চলতে থাকলে মালদ্বীপ মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করে আসছেন বিশেষজ্ঞরা। এই সংকট উত্তরণে বিষয়টি তুলে ধরবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল্লাহ শহিদ।

বন্যা, খরা ও দাবানলের মতো জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট ক্ষতির জন্য সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে উন্নয়নশীল দেশগুলো। অথচ এই দেশগুলোর মাথাপিছু কার্বন নিঃসরণ উন্নত দেশগুলোর চেয়ে অনেক কম।

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তাদেরই সবচেয়ে বেশি ভুগতে হচ্ছে। ফলে গ্লাসগোতে জলবায়ু সম্মেলনে কম ধনী এবং ছোট দেশগুলোর চাহিদার বিষয়ে একটি সমাধানে পৌঁছানো জরুরি।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, তিনি ধারণা করছেন গ্লাসগোতে জাতিসংঘের কপ-২৬ জলবায়ু সম্মেলনের সফল হওয়ার সম্ভাবনা ১০-এর মধ্যে ৬ ভাগ। গ্লাসগোতে শুরু হতে যাওয়া ওই সম্মেলনে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার ও ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নির্গমন শূন্যে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা নেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী বরিস সতর্ক করে বলেন, জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় বিশ্বনেতারা যথাযথ পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হলে বৈশ্বিক সভ্যতার দ্রুত পতন ঘটবে।

এমন পরিস্থিতিতে আগামী ভব্যিষতের কথা ভেবে বিশ্ব নেতারা এই সম্মেলনে কতটুকু কার্যকর পদক্ষেপের প্রতিশ্রুতি দেবেন তা এখন দেখার বিষয়।



বৈশ্বিক জলবায়ু লক্ষ্য অর্জন কতটা সম্ভব তা অনেকাংশে নির্ভর করে বিশ্বের সর্বোচ্চ কার্বন নিঃসরণকারী এই দেশের কর্মকাণ্ডের ওপর। ইতোমধ্যেই ২০৬০ সাল নাগাদ কার্বন নিরপেক্ষতা অর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।

তবে এটি বিজ্ঞানীদের বেঁধে দেয়া লক্ষ্যের চেয়ে ১০ বছর পিছিয়ে। ২০২৬ সালের মধ্যে কয়লার ব্যবহার বন্ধেরও ঘোষণা দিয়েছে দেশটি। এবারের সম্মেলনে সহ পরিবেশমন্ত্রীকে পাঠাচ্ছে চীন, যা বড় ধরনের কোনও ঘোষণার পথে বড় বাধা বলে মনে করছেন অনেকে।

কার্বন নিঃসরণে চীনের পরেই যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান। ট্রাম্পের বিদায়ের পর ২০২১ সালে আবারও জলবায়ু আলোচনায় ফিরেছে যুক্তরাষ্ট্র।

প্যারিস চুক্তিতে ফেরার পাশাপাশি ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বণ নিঃসরণ ২০০৫ সালের তুলনায় ৫০ শতাংশ কমানোর ঘোষণা দিয়েছেন বাইডেন। কিন্তু এ সংক্রান্ত সুস্পষ্ট নীতির অভাব গ্লাসগো সম্মেলনে চীন, ভারত ও ব্রাজিলের মতো দেশগুলোকে চাপে রাখার ক্ষেত্রে বড় বাধা বলে মনে করছেন কূটনীতিক ও এনজিওকর্মীরা।

“Green Page” কে সহযোগিতার আহ্বান

সম্পর্কিত পোস্ট

Green Page | Only One Environment News Portal in Bangladesh
Bangladeshi News, International News, Environmental News, Bangla News, Latest News, Special News, Sports News, All Bangladesh Local News and Every Situation of the world are available in this Bangla News Website.

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন, তবে আপনি ইচ্ছা করলেই স্কিপ করতে পারেন। গ্রহন বিস্তারিত