23 C
ঢাকা, বাংলাদেশ
রাত ৪:৫৫ | ৬ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
গ্রীন পেইজ
সরকার কৃষি উন্নয়ন ও কৃষকের কল্যাণে সর্বদা নিয়োজিত এবং খরচ কমাতে সেচদক্ষতা
কৃষি পরিবেশ পরিবেশ গবেষণা

সরকার কৃষি উন্নয়ন ও কৃষকের কল্যাণে সর্বদা নিয়োজিত এবং খরচ কমাতে সেচদক্ষতা : কৃষিমন্ত্রী

সরকার কৃষি উন্নয়ন ও কৃষকের কল্যাণে সর্বদা নিয়োজিত এবং খরচ কমাতে সেচদক্ষতা : কৃষিমন্ত্রী

ঢাকা – কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকার শেখ হাসিনার শাষন আমলে দেশে সেচ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন সাধন হয়েছে।

গত ১৭ জানুয়ারি, ২০২১ তিনি বলেন, সরকার কৃষি উন্নয়ন ও কৃষকের কল্যাণে সর্বদা নিয়োজিত। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু নিজেও কৃষি বিপ্লবের ওপর ব্যাপক জোর দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু সেচের সম্প্রসারণ ও উন্নয়নে নিয়েছিলেন যুগন্তকারী সব পদক্ষেপ যার ফল এখনও আমরা ভোগ করছি। তিনি নগদ ভর্তুকি ও সহজ শর্তে ঋণ দিয়ে কৃষকের মধ্যে সেচযন্ত্র বিক্রির ব্যবস্থা করেন।

জামার্নি থেকে জরুরি ভিত্তিতে পানির পাম্প এনেছিলেন উল্লেখ করে মন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা সেই নীতি অনুসরণ করে সেচের আধুনিকায়নের মাধ্যমে সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ ও সেচ খরচ কমাতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এতে সেচের এলাকা সম্প্রসারণ হচ্ছে পাশাপাশি অনেক কমে এসেছে সেচ খরচও।

ড. আব্দুর রাজ্জাক আজ রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউস্থ বিএডিসি অডিটোরিয়ামে ‘ভূগর্ভস্থ পানি মনিটরিং ডিজিটালাইজেশন’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির আলোচনায় এসব কথা বলেন।

বিএডিসি ‘ক্ষুদ্রসেচ উন্নয়নে জরিপ ও পরিবীক্ষণ ডিজিটালাইজেশন প্রকল্পের’ আওতায় এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।



কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, পানির টেকসই ব্যবহার ও পানিসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বাড়াতে সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে। নদী-খাল খনন ও পুন:খনন, রাবার ড্যাম,জলাধার নির্মাণ, পানি সাশ্রয়ী পদ্ধতির ব্যবহারসহ অনেক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছে। এতে মাটির উপরিভাগের পানির ব্যবহার ক্রমান্বয়ে বাড়ছে এবং এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ১৯৭১-১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৪-১৯৭৫ সালে-এই তিন বছরে অগভীর নলকূপের সংখ্যা ৬৮৫টি থেকে বেড়ে চার হাজার উনত্রিশটি, গভীর নলকূপের সংখ্যা ৯০৬টি থেকে দুই হাজার নয়শোটি এবং পাওয়ার পাম্পের সংখ্যা চব্বিশ হাজার ২৪৩টি থেকে ৪০হাজারে দাড়াঁয়।

সে ধারা অনুসরণ করে প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারও সেচের আধুনিকায়নের মাধ্যমে সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ ও সেচ খরচ কমাতে নিরলস কাজ করছে যার ফলে সেচের এলাকা সম্প্রসারণের পাশাপাশি কমে এসেছে সেচ খরচও।

বিএডিসির তথ্যে জানা যায়, বর্তমান সরকারের কৃষিবান্ধব নীতির ফলে গত দশ বছরে সেচ এলাকা সম্প্রসারণ হয়েছে দশ দশমিক পঞ্চাশ লাখ হেক্টর। খাল পুনঃখনন করা হয়েছে নয় হাজার ৪৫৭ কি.মি। সেচনালা স্থাপন করা হয়েছে তের হাজার ৩৫১ কি.মি. এবং দশটি রাবার ড্যাম ও একটি হাইড্রোলিক এলিভেটর ড্যাম নির্মাণ করা হয়েছে।

ফলে সেচ এলাকা ৫৬ দশমিক সাতাশ লাখ হেক্টরে, সেচ দক্ষতা পয়ত্রিশ শতাংশ থেকে আটত্রিশ শতাংশে এবং ভূপরিস্থ পানির ব্যবহার একুশ শতাংশ থেকে সাতাশ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব হয়েছে। সেচযোগ্য জমির ৭৩ শতাংশ সেচের আওতায় এসেছে।

এছাড়া সেচের আধুনিকায়নে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে আগামী ২০৩০ সাল নাগাদ সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সেচকৃত এলাকা ষাট লাখ হেক্টর, সেচ দক্ষতা আটত্রিশ শতাংশ থেকে পঞ্চাশ শতাংশ এ উন্নীতকরণ, সেচকাজে ভূপরিস্থ পানির ব্যবহার ৩০ শতাংশে উন্নীত এবং ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার ৭০ শতাংশ হ্রাস করা।

বিএডিসির চেয়ারম্যান মো.সায়েদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিসচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম। এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেচ ও পানি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো: আব্দুল মজিদ, সিইজিআইএসের নির্বাহী পরিচালক মালিক ফিদা আবদুল্লাহ খান, প্রকল্প পরিচালক মো. জাফর উল্লাহ ও বিএডিসির সদস্য পরিচালক (ক্ষুদ্রসেচ) মো. আরিফ বক্তৃতা করেন।

সূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

“Green Page” কে সহযোগিতার আহ্বান

সম্পর্কিত পোস্ট

Green Page | Only One Environment News Portal in Bangladesh
Bangladeshi News, International News, Environmental News, Bangla News, Latest News, Special News, Sports News, All Bangladesh Local News and Every Situation of the world are available in this Bangla News Website.

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন, তবে আপনি ইচ্ছা করলেই স্কিপ করতে পারেন। গ্রহন বিস্তারিত