30 C
ঢাকা, বাংলাদেশ
রাত ১:১৫ | ১১ই জুলাই, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ২৭শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
গ্রীন পেইজ
কুমিল্লার তিতাস নদী পুনঃখননের উদ্যোগ, হবে সেচ ব্যবস্থা-নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন-কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি
পরিবেশগত অর্থনীতি

কুমিল্লার তিতাস নদী পুনঃখননের উদ্যোগ, হবে সেচ ব্যবস্থা-নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন-কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি

দেশের সব ভরাট হয়ে যাওয়া নদীগুলো ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে পুনঃখনন করে দ্রুত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন হচ্ছে পর্যায়ক্রমে। নদীগুলো পুনঃখননের ফলে নৌ চলাচলের সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার ঘটানো সম্ভব হচ্ছে দ্রত। তারই ধারাবাহিকতায়  ‘কুমিল্লার তিতাস ও হোমনা উপজেলায় তিতাস নদী  পুনঃখনন’ করার উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রকল্পটি পরিকল্পনা কমিশনে প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ৭৬ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের পর এটি চলতি বছরের অক্টোবর থেকে জুন ২০২২ সালে বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড। পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
প্রস্তাবিত প্রকল্পের ডিপিপি থেকে জানা গেছে যে,, বর্তমানে লোয়ার তিতাস নদীটি ভরাট হয়ে যাওয়ায় নাব্যতা অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে। হোমনা ও তিতাস উপজেলায় অবস্থিত ভরাট হয়ে যাওয়া নদী খননের মাধ্যমে সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন, নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে। নদী পথের নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো) গত বছর একটি কারিগরি কমিটি গঠন করে। ওই কারিগরি কমিটির সুপারিশের আলোকে প্রকল্পটি প্রস্তাব করা হয়েছে। এ প্রকল্পটির ওপর গত বছরের অক্টোবরে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ি এটি একনেক সভায় অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। প্রকল্পটি ২০১৯-২০ অর্থবছরের এডিপিতে বরাদ্দবিহীন অননুমোদিত নতুন প্রকল্প তালিকায় অন্তর্ভুক্ত আছে।
প্রকল্পটি উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে, তিতাস নদী পুনঃখননের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশন করে জলাবদ্ধতা দূর করা হবে, অনাবাদী জমি আবাদযোগ্য করা, নদী পুনঃখননের মাধ্যমে সেচযোগ্য পানির মজুদ বৃদ্ধি করা। প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রম হচ্ছেÑ১৮ লাখ ঘন মিটার নদী ড্রেজারের মাধ্যমে পুনঃখনন করা, ১২ লাখ ঘন মিটার নদী এক্সকেভেটর দ্বারা পুনঃখনন করা, অফিস ভবন ও কলোনী মেরামত ৬টি এবং সিসি ব্লক দ্বারা ১১টি ব্রিজের ফাউন্ডেশন ট্রিটমেন্ট করা হবে।
পরিকল্পনা কমিশনের মতামতে বলা হয়েছে, প্রকল্পটির পিইসি সভায় প্রস্তাবিত ব্যয় ছিলো ৪৭ কোটি টাকা। কিন্তু পুনর্গঠিত ডিপিপিতে মোট ব্যয় প্রায় ৩০ কোটি টাকা বৃদ্ধি করে মোট ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছে ৭৭ কোটি টাকা। প্রকল্পের মেয়াদ পিইসি সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চলতি বছরের অক্টোবর থেকে জুন ২০২০ সাল পর্যন্ত করার জন্য সুপারিশ করা সত্ত্বেও পুনর্গঠিত ডিপিপিতে ২ বছর মেয়াদ বৃদ্ধির যৌক্তিক কারণ জানাতে বলা হয়েছে। প্রকল্পটির পুনর্গঠিত ডিপিপিতে নদী পুনঃখনন খাতে পূর্ব নির্ধারিত প্রাক্কলিত ব্যয় থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকা ড্রেজার দ্বারা ও ৫৮ লাখ টাকা এস্কাভেটর দ্বারা অতিরিক্ত ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে। এর যৌক্তিকতা পুনর্গঠিত ডিপিপিতে দেয়া হয়নি। সভায় নদী পুনঃখনন খাতে ব্যয় বৃদ্ধির যৌক্তিক কারণ উল্লেখ করতে বলেছে পরিকল্পনা কমিশন।

সম্পর্কিত পোস্ট

Green Page | Only One Environment News Portal in Bangladesh
Bangladeshi News, International News, Environmental News, Bangla News, Latest News, Special News, Sports News, All Bangladesh Local News and Every Situation of the world are available in this Bangla News Website.

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন, তবে আপনি ইচ্ছা করলেই স্কিপ করতে পারেন। গ্রহন বিস্তারিত